ক্যাপ্টেন নাওশাদ শেষ শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় চির শায়িত হলেন

ক্যাপ্টেন নাওশাদ শেষ শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় চির শায়িত হলেন

পুরো নাম নাওশাদ আতাউল কাইয়ুম। and পেশায় একজন পাইলট। Because
তিনি বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইনসের একজন পাইলট হয়ে প্লেন উড়িয়েছেন বেশ কয়েকটি।

বিমানের সেই পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ মারা গেছেন
……………………….
মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম মারা গেছেন।

so গত শুক্রবার মাসকাট থেকে ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশের একটি এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট
বিজি ০২২ নামের প্লেনটি ১২৪ জন যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের ঢাকায় ফিরে আসার পথে প্রধাব
পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। but
তবে তিনি ভারতের একটি রান ওয়েতে জরুরি অবতরন করেন এই because
but এর আগে তিনি অন্য একটি ফ্লাইট থেকে ১৪৯ জন যাত্রী নিয়ে because
মাঝপথে অবতরণ করে যাত্রীদের প্রান বাচিয়ে নেন। but

so এবারও আকাশপথে উড্ডয়নের বেশ কিছু সময় পরে হটাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পরেন। and
তিনি হার্ট স্ট্রোক করেন প্লেন উড়ন্ত অবস্থায়।
and অসুস্থ হওয়ার পরপরই কোলকাতা শহরের এয়ার ট্রাফিকের (এটিসি)
বক্সে জরুরি অবতরন করার জন্য বার্তা পাঠান। so হ্যা সুচক উত্তর পাবার পর

নাওশাদ প্লেনের নিয়ন্ত্রন তার সহকারি

নাওশাদ প্লেনের নিয়ন্ত্রন because তার সহকারি পাইলটের কাছে হস্তান্তর করেন। so
so কিছুখন পরেই কোলকাতা এয়ার ট্রাফিকের but পক্ষ থেকে নিকটতম নাগপুর বিমান বন্দরে because
অবতরনের because কথা জানানো হয় এবং and সহকারি বিমান চালক মুস্তাকিম প্লেইন ফ্লাইটটি সফল ভাবে অবতরন করেন।

but এই ফ্লাইটে থাকা ১২৪ জিন যাত্রীই সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন।
and ক্যাপ্টেন নাওশাদ অসুস্থ হয়ে এয়ার ট্রাফিকের কাছে অনুরোধ করতেই ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের
ড. বাবা সাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নাওশাদের চালনাকারী যাত্রী সমেত ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে।
and এরপর প্লেন ক্রাস করা থেকে যাত্রীরা প্রানে বেঁচেতো যান। and
সাথে সাথে ক্যাপ্টেন নাওশাদকে নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

but এই খবর আসার কিছু সময় because পরেই ৮ জন সদস্যের একটি টিম বাংলাদেশ থেকে তাদের উদ্ধার করতে যায়।
and মধ্যরাতের পর পর যাত্রীদের সহ বিমানটি উদ্ধার করে ঢাকা বিমান বন্দরে ফেরত আনা হয়।
so ভারতে প্লেন নামার সাথে সাথেই নাওশাদকে নেয়া হয় কিংসওয়ে হাসপাতালে। because
but ২ দিন ধরে আই সি ইউতে চিকিৎসাধীন থাকা ছিল এরপর না ফেরার দেশে চলে যান ক্যাপ্টেন নওশাদ।
but নাওশাদ ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের আই সি ইউ অর্থাৎ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে
দুই দিন চিকিৎসারত অবস্থায় থাকাকালীন একটি গুজব ছড়ায় because
যে নাওশাদ মারা গেছেন। but মুলত নাওশাদ মারা যান গত রবিবার।

so তার মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পরলে এক মুহুর্তেই স্তব্দ হয়ে যায় তার সাথে সম্পৃক্ত সবাই।
and এতে শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার সহকর্মী সহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে।
Because দল মত শেষে নাওশাদ হয়ে গেছেন তুমুল জনপ্রিয় এবং ভালবাসার একজন মানুষ।
so এর কারন তিনি আকাশপথে চলাকালীন সময়ে হার্ড স্ট্রোক করে অসুস্থ থাকতেও
আল্লাহর ইচ্ছায় ১২৪ জন যাত্রীর সবাইকেই তিনি সবাইকে নিরাপদ ভাবেই তিনি প্লেন সহ
নিকটতম ও ভারতের বিমান বন্দরে অবতরন করে and
সবাইকে নিজ ঘরে পৌছে দিয়ে নিজেই চলে গেলেন ফিরে না আসার মত জায়গায়।

মৃত্যুর সময় তার রেখে যাওয়া

মৃত্যুর সময় তার রেখে যাওয়া দুই সন্তান এবং তার স্ত্রীর প্রতি
গভির সমবেদনা জানিয়েছেন সহকর্মী বন্ধু সহ চেনা জানা সবাই।
and কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পরে বিভিন্ন গনমাধ্যম and মিডিয়ায়।
and কোথাও বলা হয় তিনি গুরুতর খারাপ অবস্থায় আছেন
but বিশ্বস্ত সুত্র মারফত খোজ নিয়ে জানা যায় ক্যাপ্টেন তখন কোমায় ছিলেন এস আই সি ইউ কক্ষে।
and হার্ট স্ট্রোকের কারনে তার ব্রেইনে প্রচুর রক্তপাত হওয়ার কারনে তাকে ভেন্টিলেশনে দেয়া হয়েছে। but
সোমবার তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পাইলট এসোসিয়েশন এর সভাপতি জানান
বেলা ১১’টার দিজে ক্যাপ্টেন নাওশাদ মৃত্যু বরন করেছেন।
and নাওশাদেএ বাবাও একজন বিমান চালক ক্যাপ্টেন ছিলেন। and মৃত্যু কালে নাওশাদের বয়স হয়েছিলো ৪৪ বছর।

but এর আগে ভারত থেকে তার লাশ দেশে আনা হলে বাংলাদেশে বিমান অফিস বলাকা অফিসের
সামনে মন্ত্রী সচিব ও বন্ধু সহকর্মী অফিস স্টাফ সহ সবার so
ভালবাসায় সিক্ত হয়ে শেষ বিদায় নেন ক্যাপ্টেন আতাউল কাইউম। and
বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে চির শায়িত হবেন ক্যাপ্টেন নাওশাদ। so
বৃহস্পতিবার সকালে পৌনে ১০’টার দিকে লাশ ঢাকা বিমান বন্দরে because
আসার পর বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী এই কথা জানান।
Because বাংলাদেশ বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকা অফিসেত সামনে বাদ জোহর
তার জানাজা নামাজ আদায়ে উপস্থিত ছিলেন বন্ধু সহকর্মী কলিগ অফিস ষ্টাফ সব অনেকেই। but
জানাজার পর বনানী কবরস্থানে নাওয়াশাদের মায়ের কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়।
Because 2016 সালে ক্যাপ্টেন নাওশাদের কর্মের উপর দক্ষতা ও কাজের অগ্রগতি হওয়ার সুবাদে
তার কাজের প্রশংসা মুলক নিপুন ও দক্ষ পাইলটের ভুমিকায় শুভেচ্ছা and জানান আন্তর্জাতিক পাইলট এসোসিয়েশ।

About admin

Check Also

গ্রামের খাল বিলে নেই প্রাকৃতিক মাছের সমারোহ!

একসময় গ্রামের মানুষ মাছ কিনে খেত না। রান্না শুরুর আগে কেউ আঞ্চলিক মাছ ধরার ছোট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *