ভালো নেই স্কুলের গেটের ফেরিওয়ালারা

একসময়ে স্কুলের গেটের দোকানীকেও মনে হত স্কুলের স্টাফ! তারা স্কুল শুরুর আগেই নিজর পসরা সাজাতেন এবং স্কুল ছুটি পর্যন্ত তারা বিক্রির আসায় বসে থাকতেন। তাদের খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও স্বাদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। ছোট বেলায় স্যার কিংবা বাবা-মায়ের শত নিষেধাজ্ঞা স্বত্বেও স্কুল গেটের ফেরিওয়ালার ফুসকা, চটপটি কিংবা ঝালমুড়ি কিছুই বাদ যেতো না।

এসকল দোকানীর প্রধান কাস্টমার ছিল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এই দোকানের লাভের টাকায় চলতো সংসার। আজ কেমন আছে তারা?

বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায় – এপেশায় মোটামুটি ভালোই আয় করা যেতো। শিশুখাদ্যের লাভের পরিমান প্রায় ৩৫% থেকে ৪০% ফলে পরিবার নিয়ে ভালো কাটতো তাদের জীবন। একি কাজ দীর্ঘদিন করার কারনে তারা অন্য কাজ তেমন করতে পারেন না। আর পারলেও করনার কারণে কাজ পাওয়া যায় না। ফলে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে এই নিম্ন আয়ের মানুষগুলো।

শহরের চাইতে গ্রামের ব্যবসায়ীরা আছেন বেশি দূর্ভোগে, কারন গ্রামে কৃষি জমি এবং চাষের কাজ না থাকায় তারা একপ্রকার বেকার। ফলে অনিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ। ছোট ছোট এসকল ব্যবসায়ীরা একসময় তাদের সন্তানদের ব্যবসায়ীক কাজে ব্যবহার করতেন, ইদানিং কয়েক বছর সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচারের কারণে তাদের ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠানো শুরু করছিল অনেকেই। অনেকের সন্তানকে করোনার পর স্কুলে পাঠানো হবে কি না সেটা নিশ্চিত নয়।

About admin

Check Also

একটিমাত্র সন্তান! তাও দেশের বাইরে!

রাজধানী ঢাকা সহ বেশিরভাগ জেলা শহর এমনকি নির্জন গ্রামেও এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *