বাড়ছে ইলেকট্রনিকস পণ্যের দাম!

করোনার প্রভাবে বাড়ছে ইলেকট্রনিকস পণ্যের দাম। বিশেষ করে চায়না পণ্য গুলো কমদামী হওয়ার ফলে আধুনিক ইলেকট্রনিকস পণ্যের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যবহার চোখে পড়ার মতো।

করোনা মহামারী চায়নায় প্রথম দেখা দিলেও সেই সময় চায়না পণ্যের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায় নি। তবে করোনায় যখন লকডাউন হতে শুরু করে তখনই দেখাদেয় ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির।

বিশেষ করে করোনায় লকডাউনে অনেক মানুষ কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে বাধ্য হয়ে পড়েছিল। বেড়ে গিয়েছিল স্মার্টফোন ব্যবহার, এমন বৃদ্ধি স্বাভাবিক বাজারে কখনোই প্রত্যাশা করা যায় না।

অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ তাও আবার লকডাউনে থেকে!  এটা সত্যি একটা বড় চ্যালেন্জ ছিল চায়না নির্মাতাদের জন্য। আর এই অবস্থায় বাজারে নেগেটিভ পরায় দাম বেড়েছে ১০ – ৩০ শতাংশ।

অনেক মার্কেট এনালাইসিস অথোরিটি মনে করছেন শীঘ্রই  চায়না পণ্যের বাজার আগের পজিশনে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই।
বাংলাদেশের কম্পিউটার সমিতির কেউ কেউ বলছেন দাম আরো বাড়ার আশংকায় কিছু ব্যবসায়ীরা পণ্য স্টক বাড়িয়েছেন কিন্তু বাজারে কম পণ্য ছেড়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। বাংলাদেশে নিত্যপণ্য চাল, ডাল আলু, পেয়াজ স্টক করার নীতিমালা থাকলেও কম্পিউটার তথা ইলেকট্রনিকস পণ্যের চাহিদা যোগান কিংবা গুদামজাত করণ কোনো কিছুতেই সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই।

আরো ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে – উর্ধ্বমুখী বাজার ও চাহিদার কারণে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী নকল পণ্য বাজারজাত করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে।  এসকল পণ্যের নতুন নামকরণ করা হয়েছে ” এক বছরের ওয়ারেন্টি পণ্য “। এ নামেই সাধারণত দোকানীরা ডেকে থাকে।

অতএব বর্ধিত দামে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক পণ্য কিনলেও যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *