আমাদের বর্ধিত জনসংখ্যা এবং রোহিঙ্গা

বাংলাদেশ একটি ঘনবসতি পূর্ণ নিম্ন আয়ের উন্নয়নশীল দেশ- এটাই আমরা পড়তাম সমাজ বিজ্ঞান বইয়ে। সেদেশে ৮-১০ লাখ শরনার্থী! এযে মরার উপর খারার ঘা!

জনসংখ্যা বেশি এবং গড় জিডিপি কম থাকায় আমরা বেশিরভাগ দরিদ্র সীমার নিচে জীবন যাপন করছি। আমাদের ফসলি জমি ধ্বংস করে বসতি স্থাপন করতে হয়, উচ্চফলনশীল চাষ পদ্ধতিতে বেশি মাত্রায় সার কীটনাশক ব্যবহার করে প্রাকৃতিক সম্পদ (মাছ, জলজ উদ্ভিদ ইত্যাদি) ধ্বংস করে টিকে থাকতে হয়। যা আমাদের মানবেতর এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ ভবিষ্যতে ঠেলে দিচ্ছে। এমন দুঃসহ পরিবেশে কিভাবে আমরা ৮ থেকে ১০ লাখ শরনার্থীর থাকার ব্যবস্থা করতে পরি?

অনেকে বলছে, শরনার্থী পালতে সহায়তা দেয় অমুক প্রতিষ্ঠান, অমুক দেশ। কিন্তু ভাই কেউ তো আমাদের জায়গা জমি দিচ্ছে না। আর একটা বিষয় হচ্ছে তারা যদি সহায়তা করতে পারে তবে তাদের দেশেতো অভাব নেই, নেই বসতি করার জমির অভাব। তারা যদি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের দেশে নিয়ে যায়, তবে লোকগুলো কাজ করে খেতেও পারতো আর আমাদের মতো অসহায় দেশ মুক্তি পেত।

About admin

Check Also

বাস ভ্রমণে বমি হওয়ার কারণ ও প্রতিরোধের উপায়

বাস ভ্রমণে বমি হওয়ার কারণ ও প্রতিরোধের ১৬টি উপায় জেনে নিনঃ আমাদের অনেকের বাসে উঠলেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *