বাঁশির সেকাল একাল

বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে বাঁশি এক বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। বিশেষ করে বাংলা ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া ইত্যাদি লোকজ গানে বাঁশি ছাড়া জমেই না। একসময় রাস্তায় হেটে হেটে বাঁশি বাজাতো কেউ কেউ। এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। আবার দূরে নদীর তীরে কিলবা খোলা মঠের প্রান্তে বসে কেউ দুপুরে কেউ রাতে বিশেষ করে গরমের সময় বাঁশি বাজাতো। এখন সেই দৃশ্য আর দেখা যায় না।

প্রাচীন গল্প বা কাহিনির মধ্যে বাঁশির অনেক রকম ক্ষমতার উল্লেখ পাওয়া যায় – যেমন রাজার মেয়েকে পাগল করা ইত্যাদি।

পেশা হিসেবে বাঁশির বাজার ভালো না থাকায় ৮০ এর দশকের পর থেকেই বাঁশি বাদক ও কারিগর কমতে থাকে।

তবে ইদানীং আধুনিক অনেক গুনী মানুষ বিভিন্ন সংগীতে বাঁশির সুন্দর ব্যবহার শুরু করেছেন, পাশাপাশি পেশা হিসেবেও বিশেষ করে বিবেচিত হতে শুরু করেছে। তাই জালাল, এনাম সহ অনেকেই বাঁশির পেশায় সফল বলা চলে।

গ্রাম ও শহরে গড়ে উঠছে বাঁশির ট্রেনিং সেন্টার। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন কারিগর।

About admin

Check Also

একটিমাত্র সন্তান! তাও দেশের বাইরে!

রাজধানী ঢাকা সহ বেশিরভাগ জেলা শহর এমনকি নির্জন গ্রামেও এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *