সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি কতটা সফল?

২০১০ সালে চালু হয় মাধ্যমিকে সৃজনশীল পদ্ধতি। এরপর সরকারের প্রচেষ্টায় প্রাথমিক শিক্ষা পযন্তও এখন সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় লেখাপড়া চলছে।

তবে পড়ালেখার মান কিংবা যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এত প্রচার প্রচারণার করে , এতো এতো শিক্ষকদের ট্রেনিং করিয়ে সত্যিই কি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করা গেছে? কিংবা বিগত দশবছরে (২০১০-২০২০) সৃজনশীল পদ্ধতি যে মহান উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে “শিক্ষার্থীরা নিজের মত করে লিখবে, গাইড/নোট পড়া উঠে যাবে। কোচিং বানিজ্য বন্ধ হবে।” সতিই কি সেই সোনার হরিণ আমরা দেখতে পেরেছি? পেলেও তা কতটুকু?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষক বলেন- “সব কিছুই আগের মত চল, বরং সৃজনশীলকে কিছু শিক্ষকরা কঠিন করে ফেলায় বাচ্চারা আগের তুলনায় বেশি গাইড নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া এখনো অনেক শিক্ষক সৃজনশীল পদ্ধতির মূল বক্তব্যটি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়নি।”

আমরা জানি সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষক কোন পাঠ শিক্ষার্থীদের সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিবেন। আর শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতা , মেধা ও বুদ্ধিমত্তা অনুসারে উত্তর তৈরি করবে। কিন্ত বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র– সেখানে শিক্ষক সৃজনশীল গাইড থেকে অমুক পৃষ্ঠার অত নাম্বার সৃজনশীল প্রশ্ন পড়া দিয়ে দেন বাড়ির কাজ। যা বড়ই হাস্যকর।

About admin

Check Also

মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!

ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট বা ব্যক্তিমালিকানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *